বরাহ অবতার

 

বরাহ অবতার (Varha Avatar) – তৃতীয় অবতার



যুগ: সত্যযুগ
রূপ: জংলি শূকর
লক্ষ্য: পৃথিবীকে উদ্ধার করা ও হিরণ্যাক্ষ অসুরকে বধ করা

পুরাণ অনুযায়ী কাহিনী:

একসময় অসুর হিরণ্যাক্ষ, ব্রহ্মার বর পেয়ে অতি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। সে দেবতাদের পরাজিত করে এবং পৃথিবীকে (ভূদেবীকে) জলমগ্ন করে পাতাললোকে নিয়ে যায়। সৃষ্টির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।

তখন ভগবান বিষ্ণু এক বিপুলাকার বরাহরূপে (বন্য শূকর) আবির্ভূত হন। তার নখে ছিল বজ্রের মত শক্তি, চোখ ছিল সূর্যের মত দীপ্তিময়। তিনি গর্জন করতে করতে সমুদ্রের গভীরে নামেন।

সমুদ্রের তলদেশে হিরণ্যাক্ষ ও বরাহর মধ্যে ভয়ানক যুদ্ধ হয়। শেষে ভগবান বরাহ অসুরকে বধ করেন। এরপর তিনি নিজের দাঁড় দিয়ে ভূদেবীকে (পৃথিবীকে) তুলে আনেন এবং স্বস্থানে স্থাপন করেন।

বরাহ অবতারের গুরুত্ব:

  • এই অবতার বোঝায় যে, যখনই ধরিত্রী সংকটে পড়ে, তখন ঈশ্বর নিজেই তাকে রক্ষা করেন

  • সৃষ্টির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার একটি পরম নিদর্শন

  • জীবন পুনরুদ্ধার এবং ধার্মিকতায় ফিরিয়ে আনার প্রতীক

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বিষ্ণু এর দশ অবতার সংক্ষেপে বর্ণনা

ভীষ্ম দেবের পূর্ণ জীবনী

তুলসী দেবীর আত্মজীবনী (কাল্পনিক আকারে)